সীতার কাছ থেকে সব শুনে মন্দোদরী স্বামীকে বললেন বৈদেহীকে আপাতত রেখে আসা হোক তাদের বনকুটীরে। কিন্তু মহাবীর জানালেন তা আর হওয়ার নয়। রাম লক্ষ্মন দু ভাই এক সোনায় গড়া মৃগ দেখতে পেয়েছেন বনের মাঝে। সম্ভবত কোনো আরণ্যক রাজার বনদেবতাকে উপঢৌকন। এরকম হয়। বনের মাঝে দেবতার তুষ্টির জন্য অনেকে এমন পূজা করেন। গোল বেঁধেছে মূর্তি নিয়ে। রাম বা তস্য অনুজ ওই সোনার হরিণের লোভে পড়েছেন। দেবতার জন্য উৎসর্গ করা বস্তুতে নজর দিয়ে তার পিছে ছুটেছেন। আরণ্যক প্রজারা ধাওয়া করতেই অপবাদ দিয়েছেন সীতার নামে। তিনি নাকি চেয়েছেন ওই হরিণ।
প্রাণে বাঁচতে দুজনেই এখন তমিড় দেশে। সেখান থেকেই মহাবীরকে প্রেরণ করেছেন।
প্রাণে বাঁচতে দুজনেই এখন তমিড় দেশে। সেখান থেকেই মহাবীরকে প্রেরণ করেছেন।
No comments:
Post a Comment