সত্যাসত্য
রবিবারের সকাল । ফেলুদার প্রাতঃকালীন
ব্যায়াম ও শরীর চর্চা শেষ । এমনিতে সে আগের মতই ফিট । শরীর আর মন দুয়েতেই । তবে
কাজকর্মে একটু ভাঁটা । তাতে অবিশ্যি তার কোনও হেলদোল নেই । তার মতে সব কিছুর পেছনে
একটা কারণ আছে । এটাকে cosmic law বলে
। এখন হল নিজের জ্ঞানগম্যি বাড়ানর সুযোগ । সে তাই সময় পেলেই ইন্টারনেট এ ব্যাস্ত ।
আমার এর ফলে একটু GK
আর Current affairs এর
জ্ঞান বাড়ছে । আজ সকালে ফেলুদা তার পূর্বে ব্যাবহৃত যন্ত্র পাতি গুলো
পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করছিল । ঠিক সাড়ে নটার সময়ে বলল তোপসে একজন নিপাট বাঙ্গালী
ভদ্রলোক আসবেন । মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই । এ ঘরে আনিস । খুব পরিচিত ও কাছের লোক
ছাড়া ফেলুদা তার study তে বাইরের কাউকে allow করেনা । তাই একটু অবাক হলাম । মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই প্রায় ফেলুদারই
সমবয়েসী একটি লোক এলেন । পরনে ধুতি ও পাঞ্জাবী । চোখে মোটা কালো ফ্রেমের চশমা ।
দৃষ্টি খুব উজ্জ্বল । বললেন – প্রদোষ বাবুর সাথে দেখা হওয়ার কথা আছে । নিশ্চয়ই !
বলে ভেতরে নিয়ে গেলাম । ফেলুদা তখন বাইনকুলারটা মুছছিল । ওঁকে দেখেই উঠে দাঁড়াল ।
সাদরে বসাল । আমি বহুদিন পর একটু কৌতুহলাক্রান্ত হয়ে পড়লাম । কোনের সোফাটায় বসে
পড়লাম । জানা গেল ইনি ব্যোমকেশ বক্সী । সত্যান্বেষী । দুজনের যে কথা হল সেটা আমি
হুবহু তুলে দিচ্ছি । পাঠকের বিশ্লেষণ করতে সুবিধে হবে । বুদ্ধির ধার বাড়বে ।
ফেলুদা – বুঝতে পারছি যে
আপনি একটু অসচ্ছল হয়ে পড়েছেন ।
ব্যোমকেশ বাবু – কি করে
বুঝলেন ?
ফেলুদা – দেখুন আপনার বন্ধু
অজিতের সাথে পাব্লিশিং এর ব্যাবসাটা ভালো চলার কথা নয় । একে আজকাল বইপত্র পড়ার চল
কম তার ওপরে বাংলা সাহিত্যের তো নাভিশ্বাস
। লেখক কই ? আপনারা তো মেইনলি নভেল ধরনের বই ই ছাপতেন
ব্যোমকেশ বাবু - কথাটা অস্বীকার করছিনা তবে জমা টাকায় এখনও হাত
পড়েনি ।
ফেলুদা – ওটা অবিশ্যি আপনার
personal matter. লালমোহন বাবু ও এখন লেখা
থেকে অবসর নিয়েছেন ।
ব্যোমকেশ বাবু ( একটু হেসে
) – সে আপনার কেস কমেছে বলে । ওনার প্রখর রুদ্র আপনি ছাড়া দাঁড় করায় কে ! কিন্তু
মশায় আপনি একটুও কাতর নন ।
ফেলুদা ( প্রশংসায় একটু
লাজুক ভাব করে ) – সে আপনার মত সত্যানুরাগী নই বলে ।
ব্যোমকেশ বাবু – মানে ?
ফেলুদা – মানে খুব সোজা ।
ঘরে সত্যবতী নেই । আমি ব্যাচিলর । যাক গে রহস্য ছেড়ে আসুন কাজের কথায় আসা যাক ।
এখন ক্রাইম টাইম গুলো কেউ আর লুকিয়ে করেনা । সব বুক বাজিয়ে দিনের আলোয় করে । তাই
আপনার আমার এমন বেকার অবস্থা । তবে alternative profession নিয়ে
একটু ভেবেছি । আলোচনা করা যাক । দেখুন এখন আর কেউ personally appoint করবেনা । এখন collective client সব । ধরুন আমরা
দুজনে মিলে এমন কিছু তথ্য জোগাড় করলাম যেটা বাজারে ছেড়ে একটি পয়সাও রোজগার হবেনা কিন্তু ওই তথ্যই কিছু প্রভাবশালী লোকের রাতের
ঘুম কেড়ে নিতে পারে । বুঝলেন ?
ব্যোমকেশ বাবু – এগিয়ে যান
। পরের পাতায় ।
ফেলুদা – কাজ টা হল কোনও
ভাবে এঁদের কানে আমাদের তথ্য সংগ্রহের খবরটা দিতে হবে । ব্যাস কেল্লা ফতে ।
ব্যোমকেশ বাবু – একটু
অনৈতিক হবেনা ?
ফেলুদা – আলিসাহেবের সেই
পারির রেস্তোরাঁয় ফ্রেঞ্চ সাংবাদিকের সাথে মোলাকাত মনে আছে তো ? না-লিখিয়ে
সাংবাদিক ? nothing is wrong in love and war. খবর না
ছাপানর জন্যে পকেট ভর্তি ।
ব্যোমকেশ বাবু – আপনি তো
ধুরন্ধর লোক মশায় !
Awesome, And it's true that not only I, myself but all other Detective & Thriller novel lovers are unhappy. Because, Feluda and Satyaneshi z becoming a past history and their movies created by the legends which will only stay in our memories. If, or unless some unreleased or unpublished stories don't rise up by someone. Truly speaking, I always read or travel with the novel of Saradhindho Bandhopadhyay also known as " Bomkesh Samagroho " and " Saradhindho Omnibus " to rejoice my childhood memories.
ReplyDelete