ভরা বৈশাখের বিকেলে গুমোট গরমে টেনিদার ইচ্ছে হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন করবে । কিন্তু বললেই তো হলনা । প্রিপারেসান আছে । রোয়াকে এসব মহৎ কাজ না করে টেনিদা বলল - চল, কলেজ স্কোয়ারে যাই । নিমরাজি না হয়ে উপায় কি? হাবুল নিচু স্বরে বলল কাম সারসে । টেনিদা বাঘের মত গলা করে বলল - কিরে হাবলা? ঠাকুর দেবতার পাট একেবারে তুলে দিয়েছিস মনে হচ্ছে? ক্যাবলা হাসি চাপল । ঠাকুর হলেন রবীন্দ্রনাথ ? আমার পটল দিয়ে সিঙ্গি মাছের ঝোল খাওয়া শরীর । বিবাদে গেলুম না । বললুম - চল চল পুলের ধারের বেঞ্চিতে বসি ।
পার্ক বেশ ভর্তি । সাঁতারের লোকে ভরা । তবু এক কোণে বেঞ্চিতে গিয়ে চার মূর্তিতে বসলুম । টে নিদা এদিক ওদিক দেখে বলল গান বেছে এনেছি । হাবুল আমি আর ক্যাবলা চোখ চাওয়া চাওয়ি করে ইশারা সেরে নিলুম । যদি বেগতিক দেখি মারব ছুট । বললুম - তোমার হঠাত এমন শখ হল কেন ? আমরা তো আগে কখনও রবীন্দ্র জয়ন্তী করেছি বলে মনে পড়ছে না । টেনিদা বলল - পাড়ায় ভাবমূর্তি টা উজ্জ্বল করতে হবে রে । আমাদের লোকে আর ভাল চোখে দেখছে না । অবাক হবার ভান করলুম - কি করে জানলে ? টেনিদা বলল - দেখিস না? এখন আর কেউ খোঁজ করেনা । এটা ওটা খাওয়ায়না । অ আচ্ছা । তা কর জন্মদিন পালন । কি দিয়ে করবে? টেনিদা বলল - ক্যাবলা একটা ভালো দেখে কবিতা পড়বে । কি কবিতা ? টেনিদা খ্যাচ খ্যাচ করে উঠল । ওহ জ্বালাসনি তো । কত কবিতা । ক্যাবলা বলল - কবিতা কি কম পড়িয়াছে ? টেনিদা বলল - কুমোরপাড়ার গরুর গাড়ি আছে , ছোট নদী আছে । হাবুল শেষ করতে না দিয়ে বলল - ছোট খোকা বলে অ আ, শিখে নাই সে কথা কওয়া । লম্বা হাত টা বার করে টেনিদা এক খানা কষে রদ্দা দিতে গেল । কিন্তু হাবুল নিখুঁত ডজ করল । আমি বললুম তুমি বরং তোমার রোলটাই বল । টেনিদা গান ধরল - এ কি লাবন্যে পূর্ণ । যেই না লা বলে আ আ টান দিয়েছে খুদে সাঁতারু কয়েক জন জল থেকে উঠে সোজা দৌড়তে শুরু করে দিল । গতিক দেখে আমি হাবুল আর ক্যাবলাও সটকাবার ফন্দি করেছি যেই টেনিদা বাঘা গলায় বলল - গান থামাতে চাইলে এখুনি মটন রোল নিয়ে আয় প্যালা । কুইক । আমরা তিন জনেই দৌড় লাগালুম ।
পার্ক বেশ ভর্তি । সাঁতারের লোকে ভরা । তবু এক কোণে বেঞ্চিতে গিয়ে চার মূর্তিতে বসলুম । টে নিদা এদিক ওদিক দেখে বলল গান বেছে এনেছি । হাবুল আমি আর ক্যাবলা চোখ চাওয়া চাওয়ি করে ইশারা সেরে নিলুম । যদি বেগতিক দেখি মারব ছুট । বললুম - তোমার হঠাত এমন শখ হল কেন ? আমরা তো আগে কখনও রবীন্দ্র জয়ন্তী করেছি বলে মনে পড়ছে না । টেনিদা বলল - পাড়ায় ভাবমূর্তি টা উজ্জ্বল করতে হবে রে । আমাদের লোকে আর ভাল চোখে দেখছে না । অবাক হবার ভান করলুম - কি করে জানলে ? টেনিদা বলল - দেখিস না? এখন আর কেউ খোঁজ করেনা । এটা ওটা খাওয়ায়না । অ আচ্ছা । তা কর জন্মদিন পালন । কি দিয়ে করবে? টেনিদা বলল - ক্যাবলা একটা ভালো দেখে কবিতা পড়বে । কি কবিতা ? টেনিদা খ্যাচ খ্যাচ করে উঠল । ওহ জ্বালাসনি তো । কত কবিতা । ক্যাবলা বলল - কবিতা কি কম পড়িয়াছে ? টেনিদা বলল - কুমোরপাড়ার গরুর গাড়ি আছে , ছোট নদী আছে । হাবুল শেষ করতে না দিয়ে বলল - ছোট খোকা বলে অ আ, শিখে নাই সে কথা কওয়া । লম্বা হাত টা বার করে টেনিদা এক খানা কষে রদ্দা দিতে গেল । কিন্তু হাবুল নিখুঁত ডজ করল । আমি বললুম তুমি বরং তোমার রোলটাই বল । টেনিদা গান ধরল - এ কি লাবন্যে পূর্ণ । যেই না লা বলে আ আ টান দিয়েছে খুদে সাঁতারু কয়েক জন জল থেকে উঠে সোজা দৌড়তে শুরু করে দিল । গতিক দেখে আমি হাবুল আর ক্যাবলাও সটকাবার ফন্দি করেছি যেই টেনিদা বাঘা গলায় বলল - গান থামাতে চাইলে এখুনি মটন রোল নিয়ে আয় প্যালা । কুইক । আমরা তিন জনেই দৌড় লাগালুম ।
No comments:
Post a Comment